Description
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির খুলনা জেলা শাখার সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহারুল আলমের ওষুধ তৈরির কারখানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা এ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গতকাল শুক্রবার সকালে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার খন্দকার রফিকুল ইসলাম এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
বাহারুল আলমের বিবরণ অনুসারে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে জামায়াত-শিবিরের সাত-আটজনের একটি দল ফকিরহাট উপজেলার লখপুর এলাকায় অবস্থিত তাঁর এপিসি ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডের কারখানার সীমানাপ্রাচীর ডিঙিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় তারা নৈশপ্রহরী মিজানুর রহমানকে বেঁধে রেখে কারখানার অন্তত ১০টি কক্ষে ভাঙচুর চালায়। পরে তারা গান পাউডার ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে চলে যায়। দমকল বাহিনীর বাগেরহাট ও খুলনার তিনটি ইউনিট প্রায় তিন ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে বিপুল পরিমাণ ওষুধ, কাঁচামালসহ অন্যান্য মালামাল পুড়ে গেছে। এতে অন্তত ১০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। বাহারুল আলম বলেন, জামায়াত-শিবির পরিকল্পিতভাবে তাঁর ওষুধ কারখানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে।
বাহারুল আলম বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি এবং পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়কও।
খুলনা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা শেখ আরিফুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার রাত একটার দিকে তাঁদের দুটি ও বাগেরহাটের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে গান পাউডার দিয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে কি না, তা পরীক্ষা ছাড়া বলা যাবে না। আগুনে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।
জানতে চাইলে জামায়াতে ইসলামীর ফকিরহাট উপজেলার সেক্রেটারি অধ্যাপক মোফাজ্জেল হায়দার বাহারুল আলমের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটা তাঁর সাজানো নাটক। তাই পুলিশকে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করার অনুরোধ জানান তিনি।
| Credibility: |
 |
 |
0 |
|
Leave a Comment