Description
রংপুরের মিঠাপুকুরে জামায়াত-শিবিরের সহিংসতার ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামিরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। আসামি জামায়াতের তিন নেতা কলেজ ও মাদ্রাসায় চাকরি করলেও সেখানে তাঁরা অনুপস্থিত থাকছেন।
তবে মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া বিভিন্ন মাদ্রাসার চার শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁরা হলেন উপজেলার ফরিদপুর মোল্লাপাড়া আমিমিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক ওসমান গণি ও আফিজউদ্দিন, মাঝগ্রাম দারুল হুদা দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক হারেছ আলী এবং বুঝরুখ সন্তোষপুর কারামাতিয়া ডিগ্রি মাদ্রাসার প্রভাষক মোকাররম হোসেন। মিঠাপুকুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহিদুল হক তাঁদের বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মিঠাপুকুর থানার পুলিশ জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি জামায়াত-শিবিরের সহিংসতার ঘটনায় থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জিয়াউর রহমান ৩১ জনের নামে ও দুর্গাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোসাদ্দেক আলী ১৩১ জনের নামে মামলা করেন। আসামিদের মধ্যে আছেন উপজেলা জামায়াতের আমির ও মিঠাপুকুর ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও পীরগঞ্জ ভেন্ডামারী কলেজের প্রভাষক হাফিজুর রহমান এবং মিঠাপুকুর উপজেলা জামায়াত সেক্রেটারি ও রামরায়েরপাড়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক এনামুল হক।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন অভিযোগ করেন, জামায়াতের এই তিন শীর্ষ নেতা ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করছে না। তাঁরা নতুন করে সহিংসতা সৃষ্টির পরিকল্পনা করছেন। তাঁরা কর্মস্থলে না থাকলেও প্রায়ই উপজেলার ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করছেন।
তাঁদের নেতৃত্বে ১৫ দিনে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে একাধিক গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও মহাসড়ক অবরোধ করা হয়েছে।
মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান শামীম ইকবাল বলেন, এ পর্যন্ত ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামিদের সঠিক অবস্থান না জানার কারণে অন্যদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে মামলার অন্যতম জামায়াতের তিন নেতা কলেজ-মাদ্রাসা থেকে ছুটি নিয়েছেন।
মিঠাপুকুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘উপজেলা জামায়াতের আমির গোলাম রব্বানীর স্ত্রী এসে প্রথমে ছুটির দরখাস্ত দেন। এরপর অসুস্থতা দেখিয়ে আবারও একটি দরখাস্ত দেন। এক মাসের ছুটি মঞ্জুর করেছে কলেজ পরিচালনা কমিটি। এখনো ছুটি শেষ হয়নি।’
| Credibility: |
 |
 |
0 |
|
Leave a Comment