Description
হরতালে দাম পড়ে যাওয়ায় হতাশ দেশের অন্যতম পেঁয়াজ উৎপাদনকারী এলাকা পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার চাষিরা। স্থানীয় হাটগুলোতে পাইকার না আসায় এক সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম মণপ্রতি ৬০ থেকে ৭০ টাকা কমেছে। ঋণ শোধ ও সংসারের খরচের জন্য চাষিরা পেঁয়াজ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এই সুযোগে মজুতদার ও মধ্যস্বত্বভোগীরা পেঁয়াজ কিনছেন।
সংশ্লিষ্ট কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এবার সাঁথিয়া উপজেলায় ১১ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে।
উপজেলায় মূলকাটা ও হালি পদ্ধতিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়ে থাকে। মূলকাটা পদ্ধতির পেঁয়াজের আবাদ শুরু হয় অক্টোবর মাসের শুরুর দিকে এবং হালি পদ্ধতির আবাদ শুরু হয় ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে। গত এক মাস হাটে হালি পদ্ধতিতে আবাদ করা নতুন পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে।
চাষিরা জানান, এবার নতুন পেঁয়াজ ওঠার পর থেকে কৃষকেরা কিছুটা লাভেই তা বিক্রি করছিলেন। এতে দুই বছর পর চাষিদের মুখে হাসি দেখা দিয়েছিল। কিন্তু চলতি সপ্তাহে একের পর এক হরতাল ও রাজনৈতিক অস্থিরতায় পাইকার না আসায় সেই হাসি আবারও মিলিয়ে যেতে বসেছে।
গত মঙ্গলবার পাবনার প্রধান পেঁয়াজের হাট বেড়ার করমজায় গিয়ে পেঁয়াজের প্রচুর আমদানি দেখা গেছে। কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হরতালে দাম কম হবে জেনেও টাকার প্রয়োজনে নিরুপায় হয়ে তাঁরা হাটে পেঁয়াজ নিয়ে এসেছেন। পেঁয়াজ ব্যবসায়ী ও আড়তদার আবদুর রহমান বলেন, ‘এই হাট থেকে পেঁয়াজ ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যায়। হরতালে বাইরের কোনো ক্রেতা আসতে পারেনি। এ জন্য পেঁয়াজের দাম পড়তির দিকে।’
সাঁথিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন বলেন, এবার পেঁয়াজের ফলন যেমন ভালো হয়েছে (বিঘায় ৪০ থেকে ৫০ মণ) তেমনি দামও ভালো ছিল। তবে হরতালের কারণে সাময়িকভাবে দাম কিছুটা কমলেও পরে ঠিক হয়ে যাবে।
| Credibility: |
 |
 |
0 |
|
Leave a Comment